৯ বছরের মেয়েকে খাবার বেড়ে দিয়ে বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন মা। প্রায় আধা ঘণ্টা পর ঘরে ফিরে দেখেন, গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় আড়ার সঙ্গে মেয়েটির বিবস্ত্র দেহ ঝুলছে। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।.
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার একটি গ্রামে শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পুলিশ অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার কিশোর ও দুই তরুণসহ মোট ছয়জনকে আটক করেছে।.
নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তিন ভাইবোনের মধ্যে সে ছিল সবার বড়। তার বাবা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। শুক্রবার সকালে বের হয়ে দুপুরে বাড়ি ফিরে ভাত খেয়ে আবার বেরিয়ে পড়েন তিনি।.
শিশুটির মা বলেন, 'আমার মেয়েরে ভাত বাইড়া দিয়া ছাগল আনতে গেছিলাম। ঘরে কেউ ছিল না। যাওনের সময় পাশের দোকানের কাছে তিনজন ছেলেরে দেইখ্যা গেছিলাম। ফিইরা আইসা তারারে আর পাই নাই। ঘরে গিয়া মেয়েটারে আড়া থাইক্কা নামাই। আমার ছোট্ট শিশুটার সাথে যারা এই কাম করছে, আমি তারার ফাঁসি চাই।'.
পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজল সরকারের নেতৃত্বে একাধিক পুলিশ টিম মাঠে কাজ করছে। আটক ছয়জনের মধ্যে চারজনের বয়স ১২ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে এবং দুজনের বয়স ২২ বছর। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।.
Ajker Bogura / তাহমিদ জাওয়াদ
আপনার মতামত লিখুন: