• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ৩১ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

শেরপুরে দাদা-নাতনিকে ঘরবন্দি করে ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ অভিযোগ: পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৯:০৬ পিএম
শেরপুরে দাদা-নাতনিকে ঘরবন্দি করে ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ অভিযোগ: পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা
ছবি: প্রতিনিধি

শেরপুরে দাদা-নাতনিকে ঘরবন্দি করে 'অনৈতিক সম্পর্কের' অপবাদ: নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র?.

 .

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহ বন্দেগি ইউনিয়নের হাওয়াখানা এলাকায় এক বৃদ্ধ এবং তার হবু পুত্রবধূকে (সম্পর্কে নাতনি) এক ঘরে আটকে রেখে 'অনৈতিক সম্পর্কের' অপবাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ওই এলাকার একটি ফিসারির দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা এবং ভুক্তভোগীদের দাবি অনুযায়ী, এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।.

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই বৃদ্ধের ছেলের সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীর বিয়ের কথা চলছিল। তবে মেয়েটি এই বিয়েতে এখনো চূড়ান্ত সম্মতি দেয়নি। মঙ্গলবার ওই বৃদ্ধ তার নাতনি সম্পর্কের মেয়েটির বাড়িতে যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাড়িতে সে সময় অন্য লোকজনও উপস্থিত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে কয়েকজন যুবক বাহির থেকে ঘরের দরজা আটকে দেয় এবং তাদের বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।.

ঘটনাটি সাধারণ কোনো ঘটনা নাও হতে পারে, এর পেছনে বেশ কিছু অসংগতি লক্ষ্য করা গেছে:.

পূর্ব শত্রুতা বা স্বার্থ: বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে দ্বিমত থাকায় কোনো পক্ষ কি সুপরিকল্পিতভাবে তাদের সম্মানহানি করার চেষ্টা করেছে?.

দরজা আটকে দেওয়া: যদি ঘরের ভেতর অন্য লোকজনও উপস্থিত থেকে থাকে, তবে বাইরে থেকে যুবকরা কেন এবং কার ইশারায় দরজা বন্ধ করল, তা একটি বড় প্রশ্ন।.

মেয়ের জবানবন্দি: ভুক্তভোগী তরুণী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে কেবল দাদা-নাতনি সম্পর্ক। অন্য কোনো সম্পর্ক বা ঘটনা সেখানে ঘটেনি।.

মিথ্যা অপবাদ: গ্রামীণ সমাজে অনেক সময় জমিজমা বা পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ধরনের "ট্র্যাপ" বা ফাঁদ পেতে মানুষকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়।.

তদন্ত ছাড়া কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা ঠিক হবে না। তবে যেভাবে তড়িঘড়ি করে দরজা আটকে অপবাদ দেওয়া হয়েছে, তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে এর পেছনে কোনো একটি পক্ষের বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পুলিশ বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করা প্রয়োজন, যাতে কোনো নির্দোষ ব্যক্তি সামাজিক লাঞ্ছনার শিকার না হন।.

আপনার বর্ণনায় যেহেতু স্পষ্ট যে "এর ভেতরে অবশ্যই কিছু রয়েছে", তাই আপনি যদি সংবাদকর্মী হিসেবে এটি প্রকাশ করতে চান, তবে ওই যুবকদের পরিচয় এবং মেয়েটির পরিবারের সাথে কারও কোনো বিরোধ আছে কি না, তা আরও গভীরভাবে অনুসন্ধান করতে পারেন। বিশেষ করে বিয়ের অসম্মতি থেকে এই আক্রোশ কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।. .

Ajker Bogura / আব্দুল ওয়াদুদ

নারী ও শিশু বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ