বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার অদূরে অবস্থিত ফতেহ আলী সেতুটি এখন দুর্ভোগ আর ঝুঁকির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সোনাতলা, সারিয়াকান্দি, গাবতলী ও ধুনটসহ উত্তরাঞ্চলের একাধিক উপজেলার মানুষের প্রধান যাতায়াত পথ হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে আছে গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি।.
২০২৩ সালের মে মাসে প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হলেও সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ আজও সম্পূর্ণ হয়নি। এরই মধ্যে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকার পরিবর্তন হলেও বদলায়নি সেতু ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের চিত্র। প্রতিদিন লাখো মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতুটি পারাপার করছেন।.
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুর ওপর ও আশপাশে হকার এবং অটোরিকশার দখলে চলাচলের পথ আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফুটপাত দখল করে বসেছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা, ফলে পথচারীদের জন্য নিরাপদ চলাচলের কোনো ব্যবস্থা নেই। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সম্প্রতি এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনাও এই সেতুর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাকে আরও স্পষ্ট করেছে।.
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে আসছেন বগুড়াবাসী। তবে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে জনমনে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি সেতুর কাজ বছরের পর বছর ঝুলে থাকা এবং দখলমুক্ত না হওয়া চরম অব্যবস্থাপনার পরিচয় বহন করে।.
দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন, দখলমুক্তকরণ এবং নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। অন্যথায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: