শেরপুর বাসস্ট্যান্ডে জনদুর্ভোগ নিরসনে ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ: এমপি জিএম সিরাজের নেতৃত্বে পরিদর্শন
শেরপুর (বগুড়া): উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও যোগাযোগ কেন্দ্র বগুড়ার শেরপুর উপজেলা। বিশেষ করে শেরপুরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তীব্র যানজট ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দীর্ঘদিনের এই জনদুর্ভোগ লাঘবে এবার শেরপুর বাসস্ট্যান্ডে ফ্লাইওভার নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের সংসদ সদস্য জিএম সিরাজের নেতৃত্বে ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। সরেজমিনে পরিদর্শন ও কারিগরি মূল্যায়ন পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রোডস এন্ড হাইওয়ের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল হক। তিনি ফ্লাইওভার নির্মাণের কারিগরি দিক, রাস্তার প্রশস্ততা এবং নকশা সংক্রান্ত প্রাথমিক বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করেন। স্থানীয় জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দ্রুত একটি কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের আশ্বাস দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তাদের মধ্যে ছিলেন, বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ্ব শফিকুল আলম তোতা, শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু, পৌর বিএনপির সভাপতি স্বাধীন কুমার কুন্ডু, বিএনপি নেতা, মাহবুবুর রহমান হিরু, বি এইচ এম কামরুজ্জামান রাফু, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মমিন ও পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল করিম।
গুরুত্বপূর্ণ এই পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংবাদিকবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক বিজয় বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও দৈনিক করতোয়ার প্রতিনিধি আকরাম হোসাইন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আব্দুল মান্নান, শেরপুর প্রেসক্লাব বগুড়ার দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক খোলা কাগজ প্রতিনিধি আব্দুল ওয়াদুদ এবং আমার দেশ পত্রিকার প্রতিনিধি আবু জাহের সহ অন্যান্য সংবাদকর্মীরা।
এমপি জিএম সিরাজ বলেন , শেরপুর বাসস্ট্যান্ডের যানজট এখন এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে এখানে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণ সময়ের দাবি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যানজটের কারণে কেবল সময় অপচয় হয় না, বরং অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যানবাহনগুলো আটকা পড়ে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ফ্লাইওভার নির্মিত হলে কেবল শেরপুরবাসী নয়, উত্তরবঙ্গের সাথে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: