স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আইয়ুব আলীর পিতা মোঃ সোবহান আলী। আইয়ুব আলীর প্রধান কর্মকাণ্ড ছিল বিভিন্ন জেলার ডিসি, এসপি, থানার ওসি এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেলফি তোলা। এসব ছবি ব্যবহার করে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে নিজেকে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতেন।.
অভিযোগ রয়েছে, এই প্রভাব দেখিয়ে তিনি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার শতাধিক বেকার যুবক-যুবতীর কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।.
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি টের পেয়ে আইয়ুব আলী আত্মগোপনে চলে যান এবং পরবর্তীতে ঢাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।.
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।.
এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীরা তাদের হারানো অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।.
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: