• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২১ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

এলজিইডির ডিপিপি তে স্থান পেল বগুড়ার ২১ টি ব্রিজ


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০১:০৯ এএম
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ২১টি আরসিসি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ইতোমধ্যে দেশের গ্রামীণ সড়কে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিপিতে বগুড়ার এসব ব্রিজ প্রাথমিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও খালের ওপর এসব ব্রিজ নির্মিত হলে গ্রামীণ জনপদের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ হবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যেসব এলাকায় চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, সেখানে নতুন সেতু নির্মাণ বড় ধরনের স্বস্তি এনে দেবে। প্রস্তাবিত তালিকায় বগুড়া সদর, শেরপুর, ধুনট, দুপচাঁচিয়া, আদমদীঘি, সারিয়াকান্দি, গাবতলী, শাহজাহানপুর, নন্দীগ্রাম ও সোনাতলা উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বগুড়া সদরে মাটিডালি-পীরগাছা সড়ক ও বাঘোপাড়া হাট-ভবানীগঞ্জ হাট সড়কে ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। শেরপুর উপজেলায় করতোয়া নদীসহ বিভিন্ন স্থানে দুটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ধুনট উপজেলায় সবচেয়ে বেশি কয়েকটি ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নিমগাছি ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক ও বাঙ্গালি শাখা নদীর ওপর একাধিক আরসিসি ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া বুড়িরভিটা হাট-জোড়শিমুল হাট সড়কেও একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।
দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মথুরাপুর-ভুঁইপুর সড়কে ইরামতি খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আদমদীঘিতে ছাতিয়ান গ্রাম-বাগবাড়ী সড়ক এবং নশরতপুর-তালোড়া সড়কে দুটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে।
সারিয়াকান্দিতে জোড়গাছা-পাটামারী সড়ক ও সোনাপুর এলাকায় নতুন ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গাবতলী উপজেলার ফুলবাড়ি-তরুনি হাট ডিসি সড়ক ও মহিষাবান ইউনিয়ন অফিস-কালাই হাট বাজার সড়কেও ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ রয়েছে।
শাহজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা, বেজোড়া-মাদলা এবং চোপিনগর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে তিনটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া নন্দীগ্রাম ও সোনাতলা উপজেলাতেও একাধিক ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে দুপচাঁচিয়া উপজেলা প্রকৌশলী আবু তালিম হোসেন বলেন, এখনো তারা দাপ্তরিক চিঠি হাতে পাননি। চিঠি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট স্থানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রাক্কলন তৈরি করে অনুমোদনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ নিরাপদ ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এসব ব্রিজ নির্মিত হলে শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।.

.

Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ

তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ