বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী সরকারি আজিজুল হক কলেজ ক্যাম্পাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা কোনো পদ-পদবি বা পরিচয়ের কারণে নয়, বরং নিজেদের আচরণ, ভালোবাসা আর মানবিকতা দিয়ে সবার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তেমনি এক পরিচিত মুখ ‘ওজন দাদু’।
ক্যাম্পাসে নিয়মিত যাতায়াত করা এমন খুব কম মানুষই আছেন, যারা তাকে চেনেন না কিংবা তার সালামের উত্তর দেননি। বয়সের ভার কাঁধে থাকলেও মুখজুড়ে থাকে এক চিরচেনা হাসি। সেই হাসিই যেন প্রতিদিন শিক্ষার্থী, শিক্ষক আর পথচারীদের মাঝে ছড়িয়ে দেয় এক টুকরো আন্তরিকতা।
অনেকের কাছেই তিনি শুধু একজন সাধারণ মানুষ নন, বরং আত্মমর্যাদা আর পরিশ্রম করে বেঁচে থাকার এক জীবন্ত উদাহরণ। এই বয়সেও কারও কাছে হাত না পেতে নিজের মতো করে জীবন চালিয়ে যাওয়ার যে মানসিক শক্তি, তা নতুন প্রজন্মের জন্যও অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।
শিক্ষার্থীদের ভাষায়, “ওজন দাদুকে ছাড়া ক্যাম্পাসটাই যেন ফাঁকা ফাঁকা লাগে।”
কেউ তাকে ভালোবেসে ডাকেন “জাতির ক্রাশ দাদু”, কেউবা বলেন “ক্যাম্পাসের সবচেয়ে পজিটিভ মানুষ”।
প্রতিদিনের ব্যস্ত ক্যাম্পাস জীবনে অসংখ্য মুখের ভিড়ে তিনি হয়ে উঠেছেন এক টুকরো আপন অনুভূতি। তার সরলতা, ভদ্রতা আর সবার সঙ্গে মিশে যাওয়ার সহজ ক্ষমতা তাকে আলাদা পরিচয় এনে দিয়েছে।
একজন সাধারণ মানুষের অসাধারণ হয়ে ওঠার গল্প হয়তো এমনই— যেখানে ভালোবাসা আসে মানুষের হৃদয় থেকে, কোনো প্রচার কিংবা পরিচয়ের কারণে নয়।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: