ঢাকা থেকে বগুড়ায় ফেরত আসা যাত্রীরা মধ্যরাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের মুখে পড়ছেন—এমন অভিযোগে বাড়ছে আতঙ্ক। বিশেষ করে গভীর রাতে বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যাওয়ার পথে নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।.
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক দুইটার দিকে বগুড়ার বনানী এলাকায় বাস থেকে নামার পর দু’জন যাত্রী ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। বনানী থেকে কিছুটা সামনে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ের কাছে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ব্যাগসহ মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়া হয়।.
এ ধরনের ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারাও। বগুড়া জিলা স্কুলের শিক্ষক শফিকুল আলম বুলবুল বলেন, ভোরে বাসা থেকে বের হয়ে সাতমাথা এলাকায় গিয়ে গাড়ি ধরাও এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে গোলাম কিবরিয়া অভিযোগ করেন, কৈগাড়ি ও লতিফপুরের ফাঁকা রাস্তায় রিকশা ধীরগতির হলেই ছিনতাইয়ের আশঙ্কা থাকে।.
ফারহান শাহরিয়ার জানান, গোহাইল রোড ও আজাদ পাম্প এলাকাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। মো. সবুজ নামে এক যাত্রী বলেন, রাত তিনটা-চারটার দিকে সাতমাথায় নামার পর চেলোপাড়া সিএনজি স্ট্যান্ড পর্যন্ত যেতে গিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়। লুৎফর রহমান লিমন নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, রাত তিনটার দিকে তিনি ছিনতাইকারীদের হাতে দুইটি মোবাইল ফোন তুলে দিতে বাধ্য হন।.
এদিকে শহরের বনানী মোড়, শাকপালা মোড়, সাতমাথা, নামাজগড় মোড়, এসপি ব্রিজ এলাকা, খান্দার মিশন হাসপাতাল সংলগ্ন সড়ক, সূত্রাপুর, পিটিআই মোড়, শিববাটি ও চেলোপাড়া মোড়সহ বিভিন্ন ফাঁকা সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসংলগ্ন এলাকায় প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।.
স্থানীয়দের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল ও নজরদারি জোরদার করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: