প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় জলাশয় সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই- জিএম সিরাজ.
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় দুটি খালের পুনঃ খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টায় উপজেলার ভদ্রাবতী-তিরকাতলা এবং ঝাঁজড়-পার ভবানীপুর উপ-প্রকল্পের এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন শেরপুর-ধুনট (বগুড়া-৫) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য গোলাম মো: সিরাজ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য গোলাম মো: সিরাজ বলেন, কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে এই খাল দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জলবায়ূ পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় জলাশয় সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খনন কাজ সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: সাইদুজ্জামান হিমুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ্ব জানে আলম খোকা, শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু এবং সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি স্বাধীন কুমার কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহম্মেদ জুয়েল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর আলম হিরু, বগুড়া জেলা ও শেরপুর উপজেলা বিএনপির কার্যনির্বাহি সদস্য আসিফ সিরাজ রব্বানী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মমিন ও শফিকুল ইসলাম শফিক, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল মজিদ। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহ কাউছার কলিন্স, বিএনপি নেতা তৌহিদুজ্জামান পলাশ, শিমুল, কায়কোবাদ, আব্দুল ওহাব, মিলন, যুবদল নেতা আবু রায়হান, লাভলুসহ বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বগুড়ার তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মধ্যে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘ভদ্রাবতী-তিরকাতলা’ খাল পুনঃ খননের জন্য ১ কোটি ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৮০৮ টাকা চুক্তি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট।
অন্যদিকে, ঝাঁঝড়-পার ভবানীপুর খালের চেইন নং ২০০ মিটার হতে ৭২৪৫ মিটার পর্যন্ত খনন কাজের জন্য চুক্তি করা হয়েছে ৭৬ লক্ষ ২২ হাজার ১৮৪ টাকা। এই প্রকল্পের কাজ ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার শত শত একর জমি জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং কৃষকরা শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফসল উৎপাদন করতে সক্ষম হবেন। খনন কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।.
আব্দুল ওয়াদুদ
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি.
.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: