• ঢাকা
  • সোমবার, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ০৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

ইমাম-পুরোহিতরা মাসিক ৫,০০০ টাকা সম্মানি পাচ্ছেন, শুরু হচ্ছে ঈদুল ফিতরের আগেই


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: রবিবার, ০৮ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:২৭ পিএম
ইমাম-পুরোহিতরা মাসিক ৫,০০০ টাকা সম্মানি পাচ্ছেন, শুরু হচ্ছে ঈদুল ফিতরের আগেই
ইমাম-পুরোহিতরা মাসিক ৫,০০০ টাকা সম্মানি পাচ্ছেন, শুরু হচ্ছে ঈদুল ফিতরের আগেই

রোববার (৮ মার্চ) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।.

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে দেশের সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য মাসিক সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করছে সরকার। আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই একটি পাইলট স্কিমের আওতায় এই সম্মানি প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে।.

রোববার (৮ মার্চ) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।.

প্রাথমিক পর্যায়ে পাইলট স্কিমের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ (প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে ১টি করে), ৯৯০টি মন্দির (প্রতিটি উপজেলা হতে ২টি করে), ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার (৭২টি উপজেলা হতে ২টি করে) এবং ৩৯৬টি গির্জা (১৯৮টি উপজেলা হতে ২টি করে) নির্বাচন করা হয়েছে।
ভাতার পরিমাণ.

প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ধারিত মাসিক ভাতার পরিমাণ হলো: মসজিদ: ইমাম ৫,০০০ টাকা, মুয়াজ্জিন ৩,০০০ টাকা এবং খাদেম ২,০০০ টাকা। মন্দির: পুরোহিত ৫,০০০ টাকা এবং সেবাইত ৩,০০০ টাকা। বৌদ্ধ বিহার: বিহার অধ্যক্ষ ৫,০০০ টাকা এবং বিহার উপাধ্যক্ষ ৩,০০০ টাকা। গির্জা: যাজক ৫,০০০ টাকা এবং সহকারী যাজক ৩,০০০ টাকা।
এ ছাড়া প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় ১ হাজার টাকা করে এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধ পূর্ণিমা ও বড়দিনে সংশ্লিষ্ট পুরোহিত, সেবাইত, অধ্যক্ষ ও যাজকদের ২ হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে।.

পাইলট স্কিম বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে ২৭ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা প্রয়োজন হবে। আগামী ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্বাচিত উপকারভোগীদের নিকট সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে এই সম্মানি পৌঁছে দেওয়া হবে।.

দেশের সকল উপাসনালয়কে এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হলে বার্ষিক আনুমানিক ৪,৪০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। সরকার আগামী ৪ (চার) অর্থবছরে মোট চারটি ধাপে এটি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১,১০০ কোটি, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২,২০০ কোটি, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৩,৩০০ কোটি এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গ ৪,৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।.

ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য স্থায়ীভাবে মাসিক সম্মানি প্রদানের লক্ষ্যে একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্য ৬ (ছয়) সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত সচিবকে (বাজেট/সংস্থা) সদস্য সচিব করে গঠিত এই কমিটিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকসহ অর্থ বিভাগ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে।.

এই কমিটির প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো—দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, খতিব-ইমাম ও ধর্মীয় প্রধানদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা বৃদ্ধি এবং তাদের কর্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিধিমালা বা নীতিমালা প্রণয়ন করা।.

.

Ajker Bogura / Md Shourov Hossain

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ