বগুড়া মহানগরের রাস্তা-ঘাট ও ড্রেন নির্মাণসহ জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্ব নিজের বলে জানিয়েছেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। তবে নির্মিত ড্রেন ও নগরের বিভিন্ন স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নগরবাসীকেও নিতে হবে বলে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “রাস্তা-ঘাট, ড্রেন নির্মাণের দায়িত্ব আমি নিলাম। এলাকা যেন জলাবদ্ধ না থাকে, সে দায়িত্বও আমি নিলাম। কিন্তু এগুলো পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আপনাকে নিতে হবে।” বুধবার (২৬ আগস্ট) বগুড়া মহানগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নাটাইপাড়ায় বায়তুন নাজাত জামে মসজিদে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আরও বলেন, নগর পরিষ্কার রাখতে সিটি করপোরেশন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করছে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি চেলোপাড়া ব্রিজের নিচের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত শুক্রবার চেলোপাড়া ব্রিজের নিচ থেকে ২৮ ট্রাক ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে। এরপর তিনি বগুড়াবাসীর উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন—এত বিপুল পরিমাণ ময়লা-আবর্জনা সেখানে ফেলেছে কে? প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে একটি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে হবে। ড্রেন, রাস্তা কিংবা নদী-খালকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করা হলে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হয়, অন্যদিকে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে। তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সিটি করপোরেশন নগরের উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করবে, আর নগরবাসীকে নিজেদের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার দায়িত্ব নিতে হবে। অনুষ্ঠানে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে এলাকার এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: