২০২৩ সালে বগুড়ার দই ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই স্বীকৃতি কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে রপ্তানি বাড়ানো গেলে বগুড়ার দই আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।.
বর্তমানে বগুড়া শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় ছোট-বড় শতাধিক কারখানা ও শোরুমে প্রতিদিন দই উৎপাদন ও বিক্রি হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বগুড়ায় বছরে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার দই কেনাবেচা হয়। পাশাপাশি মিষ্টির বাজারের পরিমাণ প্রায় ৩০০ কোটি টাকা।.
দই উৎপাদনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মাটির সরা ও হাঁড়ি তৈরির ব্যবসাও। ফলে দইয়ের বাজার সম্প্রসারিত হলে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতেও কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ বাড়বে।.
ব্যবসায়ীদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করতে হলে উন্নতমানের দুধ, দক্ষ কারিগর, মান নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক প্যাকেজিং ও সংরক্ষণব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বগুড়ার দই পরিকল্পিতভাবে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হলে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: