• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৪ আগষ্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

দইয়ের পাশাপাশি ইতিহাস-ঐতিহ্য ও কৃষিপণ্যের জন্যও বিখ্যাত বগুড়া


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগষ্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১:৫০ এএম
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত ( ঘোষ মিষ্টান্ন)

বগুড়া নামটি উচ্চারণ করলেই সবার আগে যে বিষয়টি মনে আসে, তা হলো বিখ্যাত বগুড়ার দই। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এই দইয়ের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে বহু দূর। তবে দইয়ের পাশাপাশি ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষি, খাবার, মৃৎশিল্প ও লোকসংস্কৃতিতেও বগুড়ার রয়েছে স্বতন্ত্র পরিচিতি। বগুড়ার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী পরিচয় দই। বিশেষ স্বাদ ও তৈরির ঐতিহ্যের কারণে বগুড়ার দই দীর্ঘদিন ধরে জেলার অন্যতম পরিচিত খাদ্যপণ্য হিসেবে মানুষের কাছে জনপ্রিয়। এ ছাড়া শেরপুরের বিভিন্ন মিষ্টি, বিশেষ করে চমচমসহ ঐতিহ্যবাহী মিষ্টিরও রয়েছে স্থানীয়ভাবে পরিচিতি। জেলার বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় পাওয়া দেশি খাবার ও মাংসজাত পদও বগুড়ার খাদ্যসংস্কৃতির অংশ। কৃষির ক্ষেত্রেও বগুড়ার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান। আলু, ধান, সবজি ও বিভিন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য জেলার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। বিশেষ করে আলু উৎপাদন ও সংরক্ষণে বগুড়া দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।খাবার ও কৃষির পাশাপাশি বগুড়ার রয়েছে সমৃদ্ধ মৃৎশিল্প ও হস্তশিল্পের ঐতিহ্য। গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন কারুশিল্প এখনো জেলার লোকঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে।তবে বগুড়ার সবচেয়ে বড় পরিচয়গুলোর একটি হলো এর প্রাচীন ইতিহাস। জেলার শিবগঞ্জে অবস্থিত মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।মহাস্থানগড় ও আশপাশের এলাকায় বেহুলার বাসরঘরসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও লোককথার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্থান রয়েছে। প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের সঙ্গে বগুড়ার ঐতিহাসিক সম্পর্কও জেলার গুরুত্বকে আরও বাড়িয়েছে। এ ছাড়া যাত্রা, পালাগান, লোকসংগীতসহ নানা লোকজ সাংস্কৃতিক চর্চা বগুড়ার নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে।সব মিলিয়ে বগুড়া শুধু ‘দইয়ের শহর’ নয়; ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্ব, কৃষি, খাদ্য, কারুশিল্প ও লোকসংস্কৃতির সমৃদ্ধ ঐতিহ্য নিয়ে দেশের অন্যতম পরিচিত একটি জনপদ।.

 . .

Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ

খোলা-কলাম বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ