অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, বাল্যবিয়ে, ভুয়া জন্মসনদ ব্যবহার করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে, রেজিস্ট্রিবিহীন বিয়ে, যৌতুকের দাবি, স্বামীর মাদকাসক্তি, জুয়া, পরকীয়া এবং পারিবারিক নির্যাতন—এসবই বিচ্ছেদের প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের মধ্যে তালাকের প্রবণতা বেশি।.
নারী অধিকারকর্মী ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের মতে, গ্রামাঞ্চলে বাল্যবিয়ের কারণে সংসার টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে শিক্ষিত ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নারীরা নির্যাতনের শিকার হলে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ফলে বর্তমানে তালাকের আবেদনের বড় একটি অংশই নারীদের পক্ষ থেকে আসছে।.
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, যৌতুক ও পারিবারিক সহিংসতা রোধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা গেলে তালাকের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কমিয়ে আনা সম্ভব।.
.
.
তথ্য সূত্র: দৈনিক করতোয়া . .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: