এগিয়ে যাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর উন্নয়নের পরিকল্পনা, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালুর লক্ষ্য .
বগুড়া বিমানবন্দরকে চালুর উদ্যোগের পাশাপাশি এর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। প্রাথমিকভাবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে বগুড়া বিমানবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ বা ডমেস্টিক বিমান চলাচল চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।.
গত ৮ আগস্ট বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে জানুয়ারি থেকে অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সংবাদটি ৮ আগস্ট বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) প্রকাশ করে। .
এর আগে গত ৭ মে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানমের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বগুড়া বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করে। সে সময় সরকার বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর গড়ে তোলা, রানওয়ে সম্প্রসারণ, কার্গো সুবিধা এবং পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানায়। মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়। .
তবে বগুড়া বিমানবন্দর চালুর ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ২০২৫ সালে বিমানবাহিনী ও বেবিচক বিমানবন্দরটির রানওয়ে সংস্কার ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের বিষয়ে একমত হয়েছিল। সে সময় জানানো হয়, বিদ্যমান রানওয়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ হাজার ৭০০ ফুট এবং বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সম্প্রসারণ দরকার। .
অন্যদিকে, ২০২৬ সালের জুনে সংসদে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী জানান, বগুড়াসহ দেশের আটটি বিদ্যমান STOL বিমানবন্দর বা এয়ারফিল্ডকে অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। .
সব মিলিয়ে, বগুড়া বিমানবন্দর নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা এখন দুই ধাপে এগোচ্ছে—প্রথম ধাপে অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল চালু এবং পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর হিসেবে সম্প্রসারণ। তবে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ফ্লাইট চালুর বিষয়টি বর্তমানে একটি লক্ষ্য বা পরিকল্পনা, চূড়ান্ত ফ্লাইট সূচি এখনো ঘোষণা হয়নি।.
বগুড়ায় নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু হলে উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: