বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত মাসিক চার্জ আদায় নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ ছিল। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সরকার এ চার্জ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।বর্তমানে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের প্রতি মাসে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল ছাড়াও মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জসহ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হয়। অনেক গ্রাহক অভিযোগ করে আসছিলেন, রিচার্জের পর কেটে নেওয়া এসব চার্জের কারণে প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।বিশ্লেষকদের মতে, মাসিক মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। বিশেষ করে যারা স্বল্প পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এ সিদ্ধান্ত কিছুটা হলেও আর্থিক স্বস্তি বয়ে আনবে। তবে অনেকেই বলছেন, শুধু মিটার চার্জ নয়—ডিমান্ড চার্জসহ অন্যান্য অতিরিক্ত ব্যয়ও কমানো প্রয়োজন।এদিকে আজ বুধবার বিএনপির মিডিয়া সেলও তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানিয়েছে, প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।সরকারের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রিপেইড বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: