বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সাতমাথা এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হচ্ছে যেন এক অঘোষিত ‘গুপ্ত সমুদ্র সৈকত’। কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতেই সড়কের উপর জমে যাচ্ছে হাঁটুসমান পানি, বন্ধ হয়ে পড়ছে যানবাহন চলাচল, চরম দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় বছরের পর বছর ধরে একই চিত্র দেখা গেলেও দৃশ্যমান কোনো স্থায়ী সমাধান চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা, অপরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, একটি সিটি কর্পোরেশনের কেন্দ্রস্থল যদি সামান্য বৃষ্টিতে পানির নিচে তলিয়ে যায়, তবে তা শুধু অব্যবস্থাপনাই নয়—এটি নগর পরিচালনায় দায়িত্বহীনতারও স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি। আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় যেখানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য উন্নত ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক, ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন ও স্বয়ংক্রিয় পাম্পিং ব্যবস্থার পরিকল্পনা থাকে, সেখানে বগুড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরে এমন অবস্থা সত্যিই হতাশাজনক।নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, সাতমাথা এলাকায় স্থায়ী সমাধানের জন্য জরুরি ভিত্তিতে—.
করা প্রয়োজন।.
নাগরিকদের ভাষ্য, করের টাকা দিয়ে নগরবাসী সেবা পেলেও মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই জনদুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত কার্যকর প্রকল্প হাতে নিয়ে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন না হলে নাগরিক স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও জোরালো হচ্ছে।.
এখন প্রশ্ন একটাই—
সাতমাথা কি নগরীর কেন্দ্র থাকবে, নাকি প্রতি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার স্থায়ী প্রদর্শনী হয়ে থাকবে?.
.
স্টাফ রিপোর্টার: সামসিল আরিফিন . .
Ajker Bogura / এবি/ এআর
আপনার মতামত লিখুন: