• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ০১ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনা হচ্ছে; নতুন শুল্ক নিয়ে কিছু বলার সময় আসেনি: বাণি


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১:৩২ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পর্যালোচনা হচ্ছে; নতুন শুল্ক নিয়ে কিছু বলার সময় আসেনি: বাণি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সই করা বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ও বাণিজ্য চুক্তির বিষয়গুলো নিয়ে এখনই কিছু বলার সময় আসেনি। চুক্তি পর্যালোচনার পর করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।.

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। .

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, 'অন্তবর্তীকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে চুক্তি করেছে, তা একটি সেনসিটিভ ইস্যু ছিল। যাদের সঙ্গে চুক্তি, দেশটাও আমাদের জন্য অনেক সেনসেটিভ। বিভিন্ন কারণেই এই বিকাশমান পরিস্থিতিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।' .

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করেছে। এর জবাবে তিনি নতুন করে ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করেছেন। এই শুল্ক এবং দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সই করা বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে পরবর্তী করণীয় কী হবে, তা নির্ধারণে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।.

সভায় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম ও বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।.

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের বিষয়টি আসলে এখনো বিকাশমান। যেটাকে আমরা ইংলিশে বলি ইভলভিং সিনারিও। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সবোর্চ্চ আদালত আগের ধার্যকৃত ট্যারিফ মেইনটেবল না ঘোষণা করেছে। এরপর তারা সব দেশের জন্য ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে।.

'আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুধু ঘোষণা শুনছি, কিন্তু সরকারি পর্যায়ে লিখিত কিছু পাইনি। আর যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেশের আইন অনুযায়ী সেকশন ১২২-এর আইনি ব্যাখায় যা আছে, সেটা ১৫০ দিনের মধ্যে তাদের ইউএস কংগ্রেস কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। আর বাদ বাকি যা, টিভিতে আমরা দেখছি। সরকারি কোনো কাগজপত্র আসেনি। ফলে সিনারিওটা আবারো আমি বলবো ইভলভিং।'.

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, 'বিগত সরকার কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, সেটির ব্যাপারেও এখনো বলার মতো কোন অবস্থার তৈরি হয়নি। আমরা দেখছি এর পক্ষে-বিপক্ষে কী আছে। একটি চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দুটি দিকই থাকবে, সেটা স্বাভাবিক। আমরা সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখছি। এরপর করণীয় ঠিক করব।'.

অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়গুলো গোপণ করা ও চুক্তি সইয়ে তড়িঘড়ি করে করেছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'কিছু নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট ছিল, সেটা চুক্তির আলোচনার সময়।'.

এদিকে শুল্ক ও চুক্তি বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, 'আমরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ডেকেছি, চুক্তিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কোন সেক্টরের কী সমস্যা, সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।'. .

Ajker Bogura / Md Shourov Hossain

অর্থনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ