.
বগুড়া শহরের গোহাইল রোড দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙাচোরা ও অসংখ্য গর্তের কারণে যান চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে ছোট-বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে, আর প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারী, রিকশাচালক, মোটরসাইকেল আরোহীসহ সাধারণ মানুষকে।.
এর মধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, সড়কের একাংশ অবৈধভাবে দখল করে ব্যক্তিগত বাড়ি নির্মাণের জন্য ইট, বালু, পাথর ও রডসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা হয়েছে। এতে সংকুচিত হয়ে পড়েছে সড়কের চলাচলযোগ্য অংশ, ফলে যানজট ও জনভোগান্তি আরও বেড়েছে কয়েকগুণ।.
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে এভাবে নির্মাণসামগ্রী রেখে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা শুধু দায়িত্বহীনতাই নয়, এটি বিদ্যমান সড়ক ব্যবস্থাপনা ও জননিরাপত্তা আইনেরও লঙ্ঘন। নগর এলাকায় জনসাধারণের ব্যবহৃত সড়ক ব্যক্তিগত কাজে দখল করে রাখা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিকরা।.
বিশেষজ্ঞদের মতে, সিটি কর্পোরেশন আইন, সড়ক পরিবহন আইন এবং পৌর জনপথ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুযায়ী, জনসড়কে অবৈধভাবে নির্মাণসামগ্রী ফেলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে দায়ীদের বিরুদ্ধে জরিমানা, উচ্ছেদ এবং প্রয়োজন হলে ফৌজদারি ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।.
.
নাগরিকদের দাবি—.
.
* অবিলম্বে সড়ক থেকে নির্মাণসামগ্রী অপসারণ.
* গোহাইল রোডের গর্ত দ্রুত সংস্কার.
* দায়ীদের বিরুদ্ধে জরিমানা.
* ভবিষ্যতে এমন দখল ঠেকাতে নিয়মিত মনিটরিং.
স্থানীয়দের ভাষ্য,.
“ভাঙা সড়কের কষ্ট একদিকে, তার ওপর ব্যক্তিগত নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাস্তা আটকে রাখা আরেক দুর্ভোগ। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”.
গোহাইল রোডের এই নাজুক অবস্থা এখন শুধু ভোগান্তির নয়, বরং নগর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুত কঠোর আইনি পদক্ষেপের পরীক্ষাও হয়ে দাঁড়িয়েছে।.
সূত্র: সামসিল আরিফিন. .
Ajker Bogura / তারিন মোস্তারি
আপনার মতামত লিখুন: