বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেট সংলগ্ন এলাকায় রেলওয়ের জমি ও পরিত্যক্ত রেললাইন দখল করে জেলা ছাত্রদলের এক নেতার রেস্তোরাঁ নির্মাণের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মাহমুদুল হক দীর্ঘদিন ধরে রেললাইনের পাশের সরকারি জায়গা দখল করে কংক্রিটের স্থাপনা নির্মাণ করে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, যেখানে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ভিড় ও আড্ডা চলতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রেললাইনের এত কাছে দোকানপাট গড়ে ওঠায় পথচারী ও শিক্ষার্থীরা প্রায়ই অসাবধানতাবশত লাইনের ওপর উঠে পড়ছেন, ফলে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ের ফিল্ড কানুনগো রাজীবুজ্জামান গত ফেব্রুয়ারিতে বগুড়া সদর থানায় লিখিত এজাহার দিলেও রহস্যজনক কারণে তা এখনো মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, অবৈধ দখল ঠেকাতে গেলে রেলওয়ের কর্মকর্তাদেরও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। এর আগে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে স্থাপনাগুলো সরিয়ে দিলেও কিছুদিনের মধ্যেই আবার একই জায়গায় দোকানপাট গড়ে ওঠে। ঘটনাটি শুধু সরকারি সম্পত্তি দখলের নয়, বরং প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কীভাবে রেলওয়ের সম্পদ বারবার বেদখল হচ্ছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। থানা বলছে অভিযোগপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, রেলওয়ে বলছে তাদের পক্ষে বারবার উচ্ছেদ করা সম্ভব নয়, আর কলেজ কর্তৃপক্ষ দায় ঠেলে দিচ্ছে রেল প্রশাসনের ওপর। সব মিলিয়ে একটি স্পর্শকাতর স্থানে অবৈধ দখলদারিত্বের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ আরও গভীর হচ্ছে।.
.
তথ্য সূত্র : আজকের পত্রিকা . .
Ajker Bogura / ডি আর/ এস এ
আপনার মতামত লিখুন: