• ঢাকা
  • শনিবার, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

চীনে নতুন ভাইরাসজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব, দুই প্রদেশে জরুরি সতর্কতা


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: শনিবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০১:২৮ এএম
ছবি : প্রতীকী
ছবি : প্রতীকী

চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে গবাদিপশুর মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এক নতুন ভাইরাসজনিত রোগ, যা ইতোমধ্যে দেশটির দুইটি প্রদেশে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এই প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় জরুরি সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ এবং সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে গানসু প্রদেশ ও শিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে গত সপ্তাহে ৬ হাজারেরও বেশি গবাদিপশুর মধ্যে সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।.

চীনের কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আক্রান্ত পশু নিধন এবং সংক্রমিত এলাকাগুলো জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে জরুরিভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, দেশটিতে এই প্রথম ‘এসএটি-১’ সেরোটাইপ শনাক্ত হয়েছে, যা আগে প্রচলিত ‘ও’ ও ‘এ’ ধরনের টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। ফলে নতুন এই ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ আরও বেড়েছে।.

কর্তৃপক্ষের ধারণা, ভাইরাসটি উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে, যা কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত। এজন্য সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং অবৈধ পশু পরিবহন ও চোরাচালান ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাসটি সরাসরি সংস্পর্শের পাশাপাশি বাতাসের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে, যা এটিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।.

এদিকে, নতুন এই রোগে অল্পবয়সী গবাদিপশুর মৃত্যুহার ৫০ শতাংশেরও বেশি হওয়ায় কৃষি খাতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় চীনা একটি বায়োটেক কোম্পানির তৈরি দুটি টিকা জরুরিভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা খুব শিগগিরই বাজারে আসতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই প্রাদুর্ভাব শুধু চীন নয়, পুরো অঞ্চলের জন্যই একটি বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।. .

Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ

স্বাস্থ্য বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ