• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ০৩ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

৩৬ নদীর পানি পেয়েও শুকিয়ে যাচ্ছে করতোয়া, খুলসী স্লুইসগেট অপসারণের দাবি


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৫১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ার করতোয়া নদীর পানিপ্রবাহ সংকটের জন্য গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার খুলসী স্লুইসগেটকে দায়ী করেছেন নদী গবেষক ও রিভারাইন পিপলের পরিচালক তুহিন ওয়াদুদ। সোমবার (৩০ জুন) প্রকাশিত এক মতামতধর্মী কলামে তিনি দাবি করেন, প্রায় ৩০০ ফুট প্রশস্ত করতোয়া নদীর প্রবাহ ৮–১০ ফুট প্রশস্ত একটি স্লুইসগেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করায় বগুড়া অংশে নদীটি কার্যত পানিশূন্য হয়ে পড়েছে।
কলামে উল্লেখ করা হয়, করতোয়া নদী নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের প্রায় ৩৬টি নদীর পানি বহন করে। নদীটির উজানে নাম দেওনাই, মধ্যভাগে যমুনেশ্বরী এবং ভাটিতে করতোয়া। এতগুলো নদীর পানি যুক্ত হওয়ার পরও বগুড়ায় নদীতে পানির প্রবাহ না থাকার কারণ হিসেবে লেখক স্লুইসগেট নির্মাণকে দায়ী করেন।
তুহিন ওয়াদুদের মতে, করতোয়া নদী পুনরুদ্ধারে সরকারের ১ হাজার ১৯৪ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, খুলসী স্লুইসগেট অপসারণ এবং নদীর দখল-দূষণ বন্ধ না করলে বড় কোনো প্রকল্পই কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না।
কলামে আরও বলা হয়, করতোয়া নদীর তীরেই প্রাচীন পুণ্ড্রনগরী গড়ে উঠেছিল এবং এ নদী উত্তরাঞ্চলের ইতিহাস, সভ্যতা ও নৌপথের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। লেখকের দাবি, পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধারই করতোয়া নদীকে বাঁচানোর প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, এটি প্রথম আলোতে প্রকাশিত লেখক তুহিন ওয়াদুদের একটি মতামতধর্মী (Opinion) কলাম।.

.

Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ

খোলা-কলাম বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ