বগুড়ার নন্দীগ্রামে সরকারি খেজুর বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনে। বুধবার (১১ মার্চ) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দেন।.
পোস্টে তিনি জানান, নন্দীগ্রামে সরকারি খেজুর কোথায় গেল—এমন প্রশ্ন তুলে কিছু মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। অথচ বুধবার দুপুরের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকারি প্রাপ্ত খেজুর রিসিভ করেছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তিনি রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি অবগত হন।.
এমপি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি লিখতে চাননি। কিন্তু নানা ধরনের প্রশ্ন ও বিভ্রান্তির কারণে তাকে লিখতে বাধ্য হতে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।.
তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় সরকারি খেজুর বিতরণের জন্য তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। ইনশাআল্লাহ এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই পরিমাণ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে খেজুর পৌঁছে দেওয়া হবে।.
একই সঙ্গে কেউ যদি খেজুর বিতরণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান বা বিতরণে দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হন, তাহলে সরাসরি ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি অফিস সবার জন্য উন্মুক্ত।.
পোস্টের শেষদিকে তিনি গুজব ও বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইনসাফের কথা বলে যারা গুজব ছড়ায়, আল্লাহ তাদের হেদায়েত দিন।.
প্রসঙ্গত, সৌদি আরবের King Salman Humanitarian Aid and Relief Center-এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারকে দেওয়া খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় এতিমখানা, মাদ্রাসা ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।. .
Ajker Bogura / তাহমিদ জাওয়াদ
আপনার মতামত লিখুন: