গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার গাবতলীতে টিনের ঘর তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে কয়েকটি পরিবার। প্রতিকার চেয়ে আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন ভুক্তভোগী রুহুল ইসলাম। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের আটবাড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামে।.
জানা গেছে, ওই আটবাড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামের আবুল হোসেন আকন্দের ছেলে রুহুল ইসলামের বসতবাড়ীর চলাচলের রাস্তায় টিনের ঘর তুলে চলাফেরা বন্ধ করেছে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এই নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার শালিসী বৈঠক হলেও কোন সুরাহা মিলেনি। বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী রুহুল ইসলাম শাজাহান আলী কালু, আলমগীর হোসেন টিক্কা, বনিজ উদ্দিন আকন্দ এবং জহুরুল ইসলাম সান্নাকে অভিযুক্ত করে গত ২৭জানুয়ারী বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আশ্রয় নেন। এরই প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ৮ই ফেব্রুয়ারী গাবতলীর এ্যাসিল্যান্ডকে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। এ্যাসিল্যান্ড তদন্ত শেষে রাস্তা হওয়ার পক্ষে মতপ্রকাশ করে ২৪ ফেব্রুয়ারী তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। বিজ্ঞ আদালত ৭দিনের মধ্যে রাস্তার প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করার জন্য গত ২৬ ফেব্রুয়ারী গাবতলী মডেল থানার ওসিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। তখন তদন্তকারী থানার এস আই আবুল হোসেন গত ৬মার্চে ঘটনাস্থলে গিয়ে চলাচলের রাস্তার প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করলেও গত ২৭মার্চ ওই প্রতিপক্ষরা আদালতের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে আবারো টিনের ঘর তুলে চলাচলের একমাত্র রাস্তা একেবারে বন্ধ করে দিয়েছে। অবরুদ্ধ করেছে রুহুল ইসলামের পরিবারকে। আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসন ব্যর্থ হওয়ায় স্থানীয় সচেতন মহল হতবাক হয়েছেন। এদিকে চলাচলের রাস্তার দাবীতে আইন আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী রুহুল ইসলাম। এ ব্যাপারে তদন্তকারী অফিসার থানার এস আই আবুল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে একাধিকবার গেছিলাম। রাস্তার প্রতিবন্ধকতাও অপসারণ করেছিলাম। কিন্তু কতিপয় ব্যক্তি বারবার রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছে। আসলে ওখানে একজন ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে রাস্তার প্রতিবন্ধকতাও অপসারণ করা দরকার।. .
Ajker Bogura / আতাউর রহমান
আপনার মতামত লিখুন: