বগুড়ার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে সাইনবোর্ডবিহীন ভেটেরিনারি (প্রাণীর) ওষুধ তৈরির কারখানা। অভিযোগ রয়েছে, এসব নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের অনেকের একটি বা সীমিত ওষুধ উৎপাদনের অনুমোদন থাকলেও, ওষুধ প্রশাসনের নজর এড়িয়ে তারা গোপনে কয়েক ডজন ধরনের ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। এতে একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, অন্যদিকে ঝুঁকিতে পড়ছে প্রাণিসম্পদ খাত ও জনস্বাস্থ্য। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অল্প সময়েই এসব কারখানার মালিকরা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও কার্যকর নজরদারির অভাবে তারা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। তেমনই একটি সাইনবোর্ডবিহীন কারখানার অবস্থান বগুড়া শহরের মালগ্রাম ঈদগাহ মাঠ আদর্শ কলেজ এলাকায়। গত মঙ্গলবার (৫ মে) সদর থানার শাখা স্টেডিয়াম ফাঁড়ির পুলিশ ওই কারখানায় অভিযানসদৃশ উপস্থিতি করলেও, পরে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে রহস্যজনকভাবে পুলিশ সেখান থেকে ফিরে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, একইদিন রাতে ওই কারখানার কর্ণধার স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং সেখানে লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ‘দফারফা’ করা হয়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: