ফতেহ আলী ব্রিজের দুই পাশে অবৈধ দখল, বাড়ছে জনদুর্ভোগ.
স্টাফ রিপোর্টার : সামসিল আরিফিন , বগুড়া সদর.
বগুড়ার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ অবকাঠামো ফতেহ আলী ব্রিজ নতুন রূপে চালু হওয়ার পর নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও এর দুই পাশের অবৈধ দখল নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ব্রিজের সংযোগ সড়ক, ফুটপাত ও আশপাশের খালি জায়গায় দিন দিন গড়ে উঠছে অস্থায়ী দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা।.
স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন ব্রিজ নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল যান চলাচল সহজ করা এবং নগরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা। কিন্তু ব্রিজের দুই পাশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে দোকানপাট বসতে শুরু করায় পথচারী ও যানবাহন উভয়ই সমস্যার মুখে পড়ছে।.
সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজের দুই ধারে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। অনেক স্থানে ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীদের মূল সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। এছাড়া কিছু যানবাহন সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে যানজটের আশঙ্কাও বাড়ছে।.
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে ফতেহ আলী ব্রিজ এলাকা আবারও যানজট ও বিশৃঙ্খলার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে। এতে ব্রিজ নির্মাণে সরকারের বিপুল বিনিয়োগের সুফলও অনেকাংশে ব্যাহত হবে।.
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি সড়ক, ফুটপাত ও ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা দখলমুক্ত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব স্থানে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠলে শুধু সৌন্দর্য নষ্ট হয় না, দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।.
সচেতন নাগরিকরা দ্রুত অবৈধ দখল চিহ্নিত করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য পরিকল্পিত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণেরও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।.
নগরবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং দখলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে ফতেহ আলী ব্রিজ বগুড়ার আধুনিক ও সৌন্দর্যমণ্ডিত প্রবেশপথ হিসেবে গড়ে উঠবে। বর্তমানে প্রয়োজন সময়োপযোগী পদক্ষেপ, যাতে নতুন এই স্থাপনার কার্যকারিতা ও সৌন্দর্য দীর্ঘদিন ধরে বজায় থাকে।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: