• ঢাকা
  • শনিবার, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ২৮ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার পদ্মায় বাসডুবিতে মৃ'ত্যু


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০২:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

১২ বছর আগে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে বেঁচে ফিরলেও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবিতে মারা গেছেন নাসিমা বেগম। ঈদের ছুটি শেষে ঢাকা ফেরার পথে দুই স্বজনের সঙ্গে তার মৃত্যু হয়।.

 .

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ৪নং পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী নাসিমা বেগম।.

 .

২০১৩ সালে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে বেঁচে ফেরা একটি আলোচিত নাম নাসিমা। ঘটনার তিনদিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিলেন নাসিমাকে। সেবার ভাগ্য সহায় হলেও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের বাসডুবিতে থেমে গেছে তার জীবন।.

 .

জানা গেছে, জীবিকার সন্ধানে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভারে ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান নাসিমা। এক মাস চেষ্টার পরও কোনো চাকরি পাননি তিনি। পরে ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে যান। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে নাসিমা, তার অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ ও চার বছরের শিশু আব্দুর রহমান বাসযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় তারা সবাই ডুবে যান। ডুবে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আব্দুল আজিজকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও প্রায় ছয় ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমাসহ বাকি তিনজনের লাশ উদ্ধার করে উদ্ধারকারীরা।.

 .

নাসিমার চাচাতো ভাই জুলফিকার আলী জানান, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন নাসিমা। ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে তিনদিন আটকে থাকার পর অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হন তিনি। এরপর থেকে গ্রামের বাড়িতে ছিলেন নাসিমা। তবে স্বামীর মৃত্যুর পর জীবিকার তাগিদে আবারও ঢাকা ফেরেন তিনি। সেই ফেরায় তার মৃত্যু হলো। .

 .

পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেন বলেন, নাসিমার বাড়িতে গিয়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।. .

Ajker Bogura / মো. সাইমুম জাহান

দূর্ঘটনা বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ