চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চুরি করতে এসে অভিনব এক “রমজান রিহ্যাব সেন্টারে” পড়েছেন এক চোর। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হাতেনাতে ধরা পড়ার পর তাকে মারধর বা পুলিশের হাতে তুলে না দিয়ে ছাত্ররা মানবিক ও ধর্মীয় পদ্ধতি অবলম্বন করেন। রমজান মাসের বরকতের কথা মাথায় রেখে চোরের মাথায় টুপি পরিয়ে তাকে সূরা নাস পাঠ করানো হয় এবং শর্ত দেওয়া হয়—শুদ্ধভাবে পড়তে পারলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে চোরও জীবন বাঁচাতে মনোযোগ দিয়ে সূরা পাঠ করেন, আর ছাত্ররা তাজবীদ ঠিক করে দেওয়ার দায়িত্ব নেন—যেন চোর নয়, কোনো নতুন হাফেজ ছাত্র ক্লাসে ভর্তি হয়েছে।.
ইফতারের সময় ঘটনাটি আরও নাটকীয় মোড় নেয়। ছাত্ররা চোরের সঙ্গে একসঙ্গে ইফতার করেন এবং তার পছন্দের কথা মাথায় রেখে বিশেষভাবে জিলাপি আনেন। পরে মুড়ির সঙ্গে জিলাপি মিশিয়ে এক অভিনব “চোর স্পেশাল ইফতার মেনু” পরিবেশন করা হয়। ইফতার শেষে চোর সাংবাদিকদের জানায়, মুড়ির সঙ্গে জিলাপি মাখা খাবার তার কাছে “অনেক মজা” লেগেছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক হাস্যরসের জন্ম দিয়েছে। অনেকে বলছেন, এটাই বাংলাদেশ—যেখানে চোরও রমজানের বরকত থেকে বঞ্চিত হয় না, বরং চুরির বদলে পায় ধর্মীয় শিক্ষা ও ফ্রি ইফতার প্যাকেজ।.
.
Ajker Bogura / সামসিল আরিফিন
আপনার মতামত লিখুন: