• ঢাকা
  • শনিবার, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ২১ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত বগুড়াবাসী, ফুল পট্টিতে উপচে পড়া ভিড়


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০:৪৪ পিএম
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

একুশ মানেই আত্মত্যাগ, একুশ মানেই ভাষার গর্ব, একুশ মানেই বাঙালির অহংকার।
আগামীকাল খোকন পার্ক শহীদ মিনারে ফুলের তোড়ায় শ্রদ্ধা জানিয়ে বগুড়াবাসী আবারও উচ্চারণ করবে—
“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?”.

একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবময় ও বেদনাবিধুর দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ঢাকায় আন্দোলন শুরু হয়। পূর্ব বাংলার ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষ এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, কারণ বাংলা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মাতৃভাষা, অথচ তা অবহেলিত হচ্ছিল। ভাষার অধিকার রক্ষার এই আন্দোলন ছিল মূলত সাংস্কৃতিক ও জাতিগত পরিচয় রক্ষার সংগ্রাম।
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও অনেক তরুণ শহীদ হন। তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।.

এই ভাষা আন্দোলন পরবর্তীতে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও স্বাধীনতার সংগ্রামে শক্তিশালী প্রেরণা জুগিয়েছিল।.


একুশে ফেব্রুয়ারি এখন শুধু বাংলাদেশের জাতীয় শোক ও গৌরবের দিন নয়, এটি বিশ্বব্যাপী মাতৃভাষার অধিকার ও ভাষাগত বৈচিত্র্যের প্রতীক। ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে এই দিনটিকে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে ঘোষণা করে। ফলে একুশে ফেব্রুয়ারি আজ বিশ্বব্যাপী ভাষা, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের গুরুত্ব স্মরণ করার একটি ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিক তাৎপর্যপূর্ণ. .

Ajker Bogura / Samsil Arifin

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ