হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বশেষ নবী ও রাসুল। মহান আল্লাহর একত্ববাদ, ন্যায়, শান্তি, মানবিকতা ও নৈতিকতার শিক্ষা প্রচারের মাধ্যমে তিনি মানুষের জীবনকে আলোকিত করেন। তাঁর জীবন ও আদর্শ মুসলিমদের জন্য অনুসরণীয়।.
৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কা নগরীর কুরাইশ বংশে তাঁর জন্ম। জন্মের আগেই তিনি পিতাকে হারান এবং ছয় বছর বয়সে মাতৃহারা হন। এতিম অবস্থায় বেড়ে উঠেও সততা, আমানতদারি ও উত্তম চরিত্রের জন্য তিনি ‘আল-আমিন’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।.
৪০ বছর বয়সে হেরা গুহায় তাঁর ওপর প্রথম ওহি নাজিল হয়। এরপর প্রায় ২৩ বছর তিনি মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত, ন্যায়, সত্য, দয়া, সহমর্মিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দিকে আহ্বান জানান। মক্কায় নির্যাতনের পর তিনি মদিনায় হিজরত করেন এবং সেখানে ন্যায়, সহাবস্থান ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে সমাজ প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।.
ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা দিনটি কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠ, দান-খয়রাত ও নফল ইবাদতের মাধ্যমে পালন করছেন। বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।.
এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণীতে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁরা হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।.
এদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে পক্ষকালব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মাহফিল ও সম্মেলন, সেমিনার, কবিতাপাঠ, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, প্রকাশনা ও প্রদর্শনী। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে আয়োজন করা হয়েছে মাসব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ইসলামি বইমেলা।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: