বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।.
সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির জাতিসত্তা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। পহেলা বৈশাখ কেবল একটি উৎসব নয়, বরং এটি বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সামাজিক বন্ধনের গভীর প্রকাশ। এই দিনটি প্রতি বছর মানুষের জীবনে নতুন আশা, নতুন উদ্যম এবং নতুন সম্ভাবনা নিয়ে ফিরে আসে।.
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির রয়েছে গভীর সম্পর্ক। কৃষকের জীবন, প্রকৃতির পরিবর্তন এবং ফসল উৎপাদনের সময়সূচির সঙ্গে এই নববর্ষের ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও এই ঐতিহ্য ও প্রকৃতির সমন্বয় আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।.
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বৈশাখী মেলা, বৈশাখী শোভাযাত্রা এবং হালখাতার মতো লোকজ আয়োজনকে বাঙালির সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। এসব আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয় বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।.
তিনি বলেন, নববর্ষের এই শুভক্ষণে সবাই যেন অতীতের হতাশা ও সীমাবদ্ধতা ভুলে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার গ্রহণ করে। পাশাপাশি সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের চর্চা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।.
সবশেষে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সবাইকে “শুভ নববর্ষ ১৪৩৩” জানান।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: