বগুড়ায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দ্রুত চালুর দাবিতে নতুন করে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, নতুন করে ব্যয়বহুল রাডার স্থাপনের পরিবর্তে ইতোমধ্যে স্থাপিত অত্যাধুনিক রাডার ইউনিটকে কাজে লাগানো হলে কম খরচে ও অল্প সময়ের মধ্যেই বিমানবন্দর চালু করা সম্ভব হবে।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বগুড়ার রাডার ইউনিটে অত্যাধুনিক GM 403M এয়ার ডিফেন্স রাডার কমিশন করে। দীর্ঘ-পাল্লার এই রাডারটি দেশের আকাশসীমায় চলাচলকারী বিভিন্ন ধরনের বিমান শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণে সক্ষম। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের ট্র্যাকিং ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক এয়ার ডিফেন্স রাডার শুধু সামরিক কাজেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (ATC) সঙ্গে সমন্বয় করেও পরিচালনা করা সম্ভব। ফলে আন্তর্জাতিক মানের বিমান চলাচল ব্যবস্থাপনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
এছাড়া দেশের আকাশসীমায় কোনো অজ্ঞাত বা সন্দেহজনক বিমান শনাক্ত করে দ্রুত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকায় আকাশ নিরাপত্তাও আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতে, উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন, পর্যটন ও দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার স্বার্থে বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এখন অত্যন্ত প্রয়োজন। বিদ্যমান রাডার ইউনিট ব্যবহার করা গেলে সরকারের বিপুল অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: