জানা যায়, স্বামী মোঃ সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে বসবাসরত রিমু ঘটনার সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে ছিলেন। পরে স্বামী সাদ্দাম হোসেন রুম থেকে বের হয়ে শাশুড়িকে জানান, রিমু ঘুমিয়ে আছে, তাকে ডেকে বিরক্ত না করতে। কিন্তু কিছু সময় পর শাশুড়ি ঘরে প্রবেশ করে রিমুকে খাটে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।.
এ ঘটনায় রিমুর আত্মীয়-স্বজনরা সন্দেহ প্রকাশ করে বিষয়টি স্থানীয় থানা পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে আদমদীঘি ও দুপচাঁচিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আসিফ হোসেন, আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান এবং এসআই মোঃ আঃ মান্নানসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে এসআই আঃ মান্নান লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।.
এখন পর্যন্ত ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়ায় রিমুর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশের তদন্ত চলছে, এবং রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর রহস্য পরিষ্কার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।.
রিমুর মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—এটি কি সত্যিই আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে কোনো অজানা ঘটনা লুকিয়ে আছে? তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি রহস্যই থেকে যাচ্ছে।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এস এ
আপনার মতামত লিখুন: