• ঢাকা
  • রবিবার, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

নরসিংদীতে মাদরাসা শিক্ষকের প্রহারে ৭ বছরের শিশু রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি।


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: রবিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০১:৩১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নরসিংদীতে মাদরাসা শিক্ষকের প্রহারে ৭ বছরের শিশু রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি।
নরসিংদীর ভেলানগর জেলখানার মোড়ে অবস্থিত মাদরাসাতুল আবরার এরাবিয়া মাদরাসায় ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক নাজমুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আহত শিশুর নাম মুজাহিদ। শিশুটি জানায়, গোসল করতে অনীহা প্রকাশ করা তথা কথা না শুনায় মাদরাসার এক শিক্ষক তাকে বেত দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের গভীর চিহ্ন পড়ে এবং এবং সারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়া ফেটে রক্ত বের হয়। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে শিশুটি।
শিশুটির বাবা মাদরাসায় তাকে দেখতে গেলে শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির শরীরজুড়ে বেতের দাগ ও রক্তাক্ত ক্ষত দেখতে পান। এ ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শিশু মুজাহিদ গুরুতর আহত হয়ে এখন হাসপাতালে চিকিৎসারত আছে।
শিশু মুজাহিদের চাচা বলেন, “এতদিন শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদরাসা শিক্ষকদের নির্যাতনের খবর দেখেছি, এবার নিজের পরিবারের শিশুই তার শিকার হলো। কিছু শিক্ষকের এমন আচরণের কারণে পুরো আলেম সমাজের বদনাম হয়। একটি ছোট শিশুকে এভাবে মারধর কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
স্থানীয় অভিভাবকদের প্রশ্ন, গোসল না করার মতো সামান্য ঘটনায় একটি শিশুকে এতটা নির্মমভাবে প্রহার করা কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে? এমন ঘটনার ফলে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি অভিভাবকদের আস্থা নষ্ট হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
 .

 . .

Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ

অপরাধ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ