রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি প্রায় ৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র ক্রেন দিয়ে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসটি পানির ওপর তোলা হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাফিজুর রহমান রাত ১২টা ৫০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর কিছুক্ষণ আগে রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসটির একটি অংশ পানির নিচ থেকে দৃশ্যমান হয়।
প্রশাসন জানিয়েছে, বাসটি থেকে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া আরও দুইজনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করলে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬ জনে।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের এক বার্তায় জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া লাশগুলোর মধ্যে তিনজন শিশু, ছয়জন নারী এবং তিনজন পুরুষ রয়েছেন।
বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে নদী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা ঢাকাগামী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়। বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসে এবং পথে বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী ওঠায়। কাউন্টার সূত্রে জানা গেছে, বাসটিতে অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিলেন।
জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তারেক রহমান ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের কাজ চলছে। কমিটিতে জেলা প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি এবং পুলিশের প্রতিনিধিরা থাকবেন।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: