রাজশাহী ও রংপুর বিভাগসহ উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় নেসকোর প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। আধুনিক ও স্বচ্ছ সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চালু করা এই ডিজিটাল মিটার এখন বহু গ্রাহকের কাছে “পকেট কাটার যন্ত্র” হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ১০০০ টাকা রিচার্জ করলেও গ্রাহকের মিটারে জমা হচ্ছে অনেক কম টাকা, অথচ বিভিন্ন চার্জের সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট ও নানা গোপন ফি কেটে নেওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, সামান্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও অস্বাভাবিক দ্রুত ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাচ্ছে। রাতের বেলায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়া, জরুরি ব্যালেন্স সংকট এবং রিচার্জ জটিলতায় মানুষের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন এলাকায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের দাবি, প্রিপেইড মিটারের নামে এই অস্বচ্ছ হিসাব ও হয়রানি বন্ধ করে প্রতিটি টাকার স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং গ্রাহকবান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।.
.
স্টাফ রিপোর্টার : সামসিল আরিফিন. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: