দেশের কৃষি খাতে আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও সঠিক তথ্যভিত্তিক সহায়তা নিশ্চিত করতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে কৃষি কার্ড কর্মসূচি। প্রাথমিকভাবে দেশের আট বিভাগের মোট নয়টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।.
বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।.
তিনি জানান, কর্মসূচির প্রাক-পাইলট পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নির্বাচিত ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে কৃষকদের মধ্যে কৃষি কার্ড বিতরণ করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের পরিচয়, জমির তথ্য, ফসল উৎপাদন এবং সরকারি সহায়তা কার্যক্রমের তথ্য একসঙ্গে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।.
প্রাথমিকভাবে যেসব উপজেলায় কৃষি কার্ড চালু করা হবে সেগুলো হলো—
টাঙ্গাইল সদর, শিবগঞ্জ উপজেলা, পঞ্চগড় সদর, ইসলামপুর উপজেলা, শৈলকুপা উপজেলা, নেছারাবাদ উপজেলা, জুড়ী উপজেলা, কুমিল্লা সদর এবং টেকনাফ উপজেলা।.
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্যায়ের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর ধাপে ধাপে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় কৃষি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।.
আগামী ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে কৃষি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষকদের সঠিক তথ্যভিত্তিক সহায়তা প্রদান, ভর্তুকি ব্যবস্থাপনা এবং কৃষি খাতের পরিকল্পনা গ্রহণ আরও সহজ ও কার্যকর হবে।. .
Ajker Bogura / সামসিল আরিফিন
আপনার মতামত লিখুন: