মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, গত ১৭ বছরে অনেক অমুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এসব তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করা হবে।.
বুধবার (৫ মার্চ) রাজধানীর মগবাজার এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ কাউন্সিল আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।.
মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় যেসব অসঙ্গতি রয়েছে, সেগুলো দূর করতে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা করে সম্মানিত করা হবে। এতে করে যারা সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, তাদের মর্যাদা আরও সুদৃঢ় হবে।.
তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৯৭১ সালে অনেক মুখোমুখি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু সেইসব ঐতিহাসিক যুদ্ধস্থল সংরক্ষণে অতীতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে স্থানীয় মানুষ অনেক জায়গায় জানেনই না সেখানে মুক্তিযুদ্ধের সময় কী ঘটেছিল।.
হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, একাত্তরের যুদ্ধস্থলগুলো চিহ্নিত করে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হবে।.
মন্ত্রী আরও জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। পাশাপাশি তাদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হবে, যাতে মুক্তিযোদ্ধারা আরও ভালোভাবে জীবনযাপন করতে পারেন।.
তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় অতীতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়াই প্রথম মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।. .
Ajker Bogura / সামসিল আরিফিন
আপনার মতামত লিখুন: