স্থানীয় সূত্র ও পারিবারিক অভিযোগে জানা যায়, সোনাতলা উপজেলার চরপাড়া মাঝিপাড়া এলাকার নিশি প্রামানিকের মেয়ে সীমা রানীর সঙ্গে গাবতলী উপজেলার মহিষাবান গ্রামের দেবেন্দ্র চন্দ্র পালের ছেলে অর্জুন চন্দ্র পালের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে সীমার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।.
গত শুক্রবার এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে সীমাকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে কাপড় দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে দাবি পরিবারের।.
সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয় হলো—সীমার মৃত্যুর খবর তার পরিবারকে সরাসরি জানানো হয়নি। তারা ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে গাবতলীতে গিয়ে তারা বাড়ির বারান্দায় সীমার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।.
শনিবার সকালে গাবতলী থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।.
এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও স্বজনরা মরদেহ গ্রামে এনে বিক্ষোভ করেন এবং সোনাতলা-গাবতলী সড়ক অবরোধ করেন। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।.
বর্তমানে অভিযুক্ত স্বামী অর্জুন চন্দ্র পাল ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: