• ঢাকা
  • সোমবার, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ৩০ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

অন্তবর্তী সরকারের প্রধান সংস্কারগুলোর বিরোধিতা করছে সরকার


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:৫০ পিএম
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান সংস্কারগুলোর বিরোধিতা করছে সরকার

সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য শিশির মনির বলেছেন, অন্তবর্তি সরকারের গৃহীত প্রধান প্রধান সংস্কারগুলোর বিরোধীতা করছে সরকার। অধ্যাদেশ অনেকগুলো মেনে নেয়া হয়েছে বলে প্রচার করা হলেও সংস্কারের প্রধান প্রধান অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যাগ নেয়া হয়েছে।.

সোমবার সুপ্রিমকোর্ট এনেএক্স ভবনের সামনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।.

 .

শিশির মনির বলেন, এর মাঝে অন্যতম হলো গণভোট অধ্যাদেশ, বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, বিচারবিভাগ পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ, গুম কমিশন অধ্যাদেশ,মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ব্যাংক সংস্কার অধ্যাদেশ প্রভৃতি।.

তিনি বলেন, মুলত এর মাধ্যমে সরকার জুলাই অভ্যুথানের সরকারের গৃহীত ১৮ মাসের অর্জন অস্বীকার করছে।.

শিশির মনির আরও বলেন, আপনারা দেখতে পেয়েছেন যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গৃহীত ১৩৩ টি অধ্যাদেশ মহান জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। তন্মধ্যে ১২ টি অধ্যাদেশকে ল্যাপস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনটি অধ্যাদেশকে বাতিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৩টি অধ্যাদেশকে পর্যালোচনা করে নতুন করে ফর্মুলেট করার প্রস্তাব করা হয়েছে।.

৭৪ টি অধ্যাদেশকে পাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। যেভাবে আছে এভাবে পাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে এবং ৩১ টি অধ্যাদেশকে সংশোধন সাপেক্ষে পরবর্তীতে পার্লামেন্টে উত্থাপন করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। এই বিষয় সংক্রান্ত একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে। এই বিশেষ কমিটিতে গতকালকে রাতে পর্যালোচনা বৈঠক শেষ হয়েছে।.

আগামী দুই তারিখের মধ্যে মহান জাতীয় সংসদ এই ব্যাপারে রিপোর্ট পেশ করার দিন ধার্য আছে। এই প্রেক্ষিতে কয়েকটি বিষয় নিয়ে যেগুলোর জাতীয় গুরুত্ব আছে এই কয়টি বিষয় নিয়েই আমরা আপনাদের সঙ্গে কথা বলব। সবগুলি অধ্যাদেশ আপনাদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু নয়। তার মধ্যে প্রথমটা হলো গণভোট অধ্যাদেশ।.

আপনারা দেখবেন যে গণভোট অধ্যাদেশকে ইনফ্রাকচুয়াস হিসেবে ল্যাপস করার প্রস্তাব করা। অর্থাৎ গণবোধ অধ্যাদেশের আর কোন কার্যকারিতা নাই। সেজন্য এটি অটোমেটিক বাতিল হয়ে যাবে মর্মে।.

গতকালকে মতামত প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা মনে করি এই ধারণাটি সঠিক না। গণভোট অধ্যাদেশের সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ধারা ছয় এবং বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত নির্বাচনের তফসিল অতপ্রতভাবে জড়িত এবং নির্বাচনের তফসিল তার সাথে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে ধারা ছয় এবং গণবোধ অধ্যাদেশের শিডিউলে উল্লেখিত ৩০ টি ঐক্যমত্বের বিষয় এইগুলো.

এত ভাবে ইন্টারলিংক একটাকে যদি আরেকটা থেকে আলাদা করা হয় তাহলে আরেকটা অটোমেটিক মৃত্যুবরণ করবে আর লাইক ইন-সেপারেবল টুই এগুলো অবিভাজ্য অভিভক্ত এই তিনটি আইন বিশেষ করে দুটি আইন গণভবোধ অধ্যাদেশ তার সঙ্গে আছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং একই সাথে আছে গণভোট অধ্যাদেশের শিডিউল এবং হাইকোর্টে যে রিট পিটিশনটি পেন্ডিং আছে তার রুল।.

একই সাথে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত নির্বাচনের তফসিল। এগুলো ইনসেপারেবল এন্ট্যাঙ্গেলড। একটা থেকে আরেকটাকে সরিয়ে দেয়ার কোন সুযোগ আছে বলে আমরা মনে করি না। যা কিছু হবে এ সবকিছুর একসাথে হবে। যে সিদ্ধান্তই করতে নিতে হবে।.

এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে সবগুলোকে একসাথে করে। ছয় ধারায় বলা আছে যে গণভোট অধ্যাদেশ গণভোট সংগঠনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গণভবোট সংগঠনের লক্ষ্যে একটা আইন প্রণয়ন করতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ধারা ছয়। সেখানেই সেই আলোকেই একটি গণভোট অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।.

এখন যদি গণভোট অধ্যাদেশকে আপনি সেপারেট করে কিল করে দেন, নাই করে দেন তাহলে উইল এফেক্ট ডাইরেক্টলি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ধারা ছয় তার প্রিয়াম্বল এবং গণবোধ অধ্যাদেশের শিডিউল গণভোট অধ্যাদেশেরটা যদি আপনারা দেখেন এখানে জাতীয় ঐক্যমত্ব কমিশনে একমত পোষণ করা ৩০ টি বিষয়ে লিস্ট দেওয়া আছে। এই ৩০ টি বিষয় আবার গণভোট হয়েছে যে চারটি প্রশ্নে তার মধ্যে একটি প্রশ্নের অন্তর্ভুক্তি আছে।.

এখন যদি এটাকে বাদ করেন তাহলে আপনাকে জুলাই সুনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়েও প্রশ্ন উত্তাপিত হবে। একই সাথে জুলাই সনদ নিয়েও প্রশ্ন উত্তাপিত হবে। ফলে আমরা মনে করি দিস ইজ এবর্টেড স্টেপ। এটা নেওয়া উচিত নয়। যা কিছু হওয়া উচিত এই অধ্যাদেশকে পাশ করা উচিত।. .

Ajker Bogura / Md Shourov Hossain

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ