• ঢাকা
  • রবিবার, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ০৮ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

কিশোরী আমেনা হত্যাকাণ্ড: সৎবাবার স্বীকারোক্তি, অপহরণের নাটক সাজানো


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১:০২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

নরসিংদীতে আলোচিত ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে হত্যার ঘটনায় তার সৎবাবা আশরাফ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।.

শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক।.

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মাধবদী এলাকা থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে আশরাফ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন, নিজের সৎ মেয়েকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে হত্যার দায় অন্যদের ওপর চাপাতে অপহরণের মিথ্যা ঘটনা সাজান।.

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১০ ফেব্রুয়ারি ওই কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে বিচার প্রক্রিয়া ও বিভিন্ন কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে আশরাফ আলী মেয়েটিকে পরিকল্পিতভাবে নির্জন স্থানে নিয়ে যান। পরে সরিষা ক্ষেতের পাশে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন।.

ঘটনার পর মেয়েটির প্রেমিক নূর মোহাম্মদ নূরা ও তার সহযোগীদের ওপর দায় চাপিয়ে অপহরণের নাটক সাজানোর চেষ্টা করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।.

পুলিশ সুপার আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডে সৎবাবা আশরাফ আলী একাই জড়িত বলে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তবে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিরুদ্ধে তাদের দায় অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।.

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে হত্যার অভিযোগে একজন, ধর্ষণের অভিযোগে চারজন এবং অবৈধ সালিশে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। সৎবাবা আশরাফ আলী, নূর মোহাম্মদ নূরা ও হযরত আলী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।.

উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে মাধবদীর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে কিশোরীর মা বাদী হয়ে ৯ জনের নামে মামলা করেন। আদালত গ্রেপ্তার আসামিদের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে এই ঘটনার নতুন তথ্য সামনে আসে।. .

Ajker Bogura / সামসিল আরিফিন

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ