• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ০৪ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

দানবাক্স খুলে চমক: মহাস্থান মাজারে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ও বিদেশি মুদ্রা


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০:২৭ এএম
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে অবস্থিত হযরত শাহ সুলতান বলখী মাহীসওয়ার (রহ.)-এর মাজারের ১৫টি দানবাক্স (সিন্দুক) খুলে পাওয়া গেছে ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২ টাকা। এছাড়াও দানবাক্সগুলো থেকে উদ্ধার হয়েছে বিদেশি মুদ্রা, স্বর্ণ ও রৌপ্য অলংকারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী। বিপুল পরিমাণ অর্থ গণনা করতে সময় লেগেছে প্রায় দুই দিন।.

মঙ্গলবার ও বুধবার প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মাজারের ১৫টি দানবাক্স খোলা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জালাল, মাজার কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।.

মাজার কমিটি সূত্রে জানা যায়, প্রতি তিন থেকে চার মাস পরপর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। দীর্ঘ সময় পর খোলা এসব সিন্দুক টাকা, কয়েন, বিদেশি মুদ্রা এবং ভক্তদের দান করা স্বর্ণ-রৌপ্য অলংকারে পরিপূর্ণ ছিল।.

দানবাক্স থেকে সংগ্রহ করা অর্থ প্রথমে বস্তাবন্দী করে মাজার কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয় অগ্রণী ব্যাংকের ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাজার কমিটির সদস্য এবং মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ২৫ জন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় টাকা গণনার কাজ সম্পন্ন করা হয়।.

টাকা গণনার দায়িত্বে থাকা এক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, বিপুল পরিমাণ কয়েন ও কাগুজে নোট আলাদা করা, ছেঁড়া ও নোংরা নোট বাছাই করা এবং সঠিক হিসাব নিশ্চিত করতে দীর্ঘ সময় লেগেছে।.

স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী জানান, মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনার কাজে অংশ নিতে পেরে তারা গর্বিত ও আনন্দিত।.

স্থানীয়দের মতে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত দর্শনার্থী ও ভক্তদের দানের কারণেই মহাস্থান মাজারের দানবাক্সগুলোতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।. .

Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ