প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম বর্তমানে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কিছু এলাকায় মাপজোক ও কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা থাকলেও তা দ্রুত সমাধান করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ধাপ সম্পন্ন হলেই পূর্ণাঙ্গ নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে।.
প্রকল্প পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী বছর থেকেই এই রেলপথ প্রকল্পের দৃশ্যমান নির্মাণকাজ শুরু হবে। এতে করে এলাকায় ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে এবং প্রকল্পের অগ্রগতি সাধারণ মানুষের চোখে পড়তে শুরু করবে।.
নতুন এই রেলপথ চালু হলে বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসবে আমূল পরিবর্তন। পণ্য পরিবহন হবে দ্রুত ও সাশ্রয়ী, যাত্রী চলাচল হবে সহজতর। পাশাপাশি শিল্পকারখানা স্থাপন, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।.
স্থানীয় অর্থনীতিবিদদের মতে, এই রেলপথ চালু হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চল, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংযোগেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি নতুন গতি পাবে।.
রেলওয়ে বিভাগ জানিয়েছে, বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত এই নতুন রেললাইন আধুনিক মানদণ্ডে নির্মাণ করা হবে। এতে থাকবে উন্নত অবকাঠামো, সেতু, স্টেশন, সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা যাত্রী ও পণ্য পরিবহনকে আরও কার্যকর ও নিরাপদ করবে।.
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, “এটি উত্তরবঙ্গবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের একটি প্রকল্প। ভূমি অধিগ্রহণ শেষ হলেই এলাকায় বড় ধরনের কর্মযজ্ঞ শুরু হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”.
সবমিলিয়ে, বগুড়া–সিরাজগঞ্জ রেলপথ চালু হলে উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন সূচিত হবে।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: