ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। সোমবার (২মার্চ ) দুপুর ১২টায় নন্দীগ্রাম উপজেলার সিংজানি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে বিএসটিআই অনুমোদন ব্যতীত লাচ্ছা সেমাই উৎপাদন এবং যথাযথ মোড়কজাতকরণ ছাড়া বাজারজাত করার দায়ে দুই ব্যক্তিকে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার। .
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সিংজানি গ্রামের আতাহার আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৫০) ও শাহজাহান আলীর স্ত্রী
মোছা: বিলকিস (৩৩)। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএসটিআই ফিল্ড অফিসার মোঃ শাহানুর হোসেন খান।.
অভিযান কালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, ঈদকে সামনে রেখে সেমাইসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সুযোগে কেউ যেন অননুমোদিত ও নিম্নমানের পণ্য বাজারজাত করতে না পারে, সে জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। তিনি আরও বলেন,
বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়া খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিক্রয় আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সকল কারখানা মালিককে সঠিক লাইসেন্স গ্রহণ, মানসম্মত উৎপাদন ও যথাযথ মোড়কজাতকরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।.
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে নন্দীগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় ছোট-বড় অনেক সেমাই কারখানা গড়ে উঠেছে। তবে অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো বিএসটিআই অনুমোদন নেয়নি এবং মানদণ্ড অনুসরণ করছে না।
প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে এবং ভেজাল, অননুমোদিত ও প্রতারণামূলক পণ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।.
নন্দীগ্রাম প্রতিবেদক : মামুন আহমেদ.
Ajker Bogura / মামুন আহমেদ
আপনার মতামত লিখুন: