বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোহাম্মদ মহসিনের আকস্মিক বিদায়—প্রশ্নের মুখে কারণ.
বগুড়ার অন্যতম প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র -এর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোহাম্মদ মহসিনের আকস্মিক বিদায় ঘিরে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব গ্রহণ করে প্রায় আট মাস দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের আর মাত্র অল্প সময় বাকি থাকতেই তার এই বিদায় স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল ও সংশয়ের জন্ম দিয়েছে।.
দায়িত্ব পালনকালে হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কারণে তিনি আলোচনায় আসেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও রোগীসাধারণের মধ্যে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, তার সময়ে চিকিৎসা সেবায় কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।.
তবে তার বিদায় ঘিরে এখন বড় প্রশ্ন—এটি কি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, নাকি এর পেছনে কোনো অদৃশ্য চাপ কাজ করেছে?.
অভ্যন্তরীণ সূত্র ও স্থানীয় পর্যায়ে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, হাসপাতালের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল অস্বস্তিতে পড়ে। একই সঙ্গে স্থানীয় ক্লিনিক ব্যবসা, চিকিৎসকদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং বিভিন্ন স্বার্থসংঘাতের বিষয়ও আলোচনায় উঠে এসেছে। যদিও এসব দাবির পক্ষে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।.
বিশ্লেষকদের মতে, এমন একজন কর্মকর্তা যিনি স্বল্প সময়ে প্রশাসনিক দৃঢ়তা ও সেবার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন, তার আকস্মিক বিদায় জনমনে প্রশ্ন তৈরি করাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এ ধরনের পরিবর্তনের পেছনের কারণ স্পষ্ট করা প্রয়োজন।.
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।.
জনস্বার্থে এবং স্বাস্থ্যসেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোহাম্মদ মহসিনের বিদায়ের প্রকৃত কারণ দ্রুত তদন্ত ও প্রকাশ করা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: