• ঢাকা
  • সোমবার, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ১৬ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

কাল থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং থাকছে না, আগের মতোই মিলবে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেল


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:৪৫ পিএম
কাল থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং থাকছে না, আগের মতোই মিলবে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেল
কাল থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং থাকছে না, আগের মতোই মিলবে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেল

পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সরবরাহ ও বিক্রি চলবে। মূলত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন নির্বিঘ্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।.

সারা দেশে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রির ক্ষেত্রে বিদ্যমান রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত আগামীকাল থেকে দেশের সব ফিলিং স্টেশনে আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সরবরাহ ও বিক্রি চলবে।.

শনিবার (১৪ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। আগামীকাল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।.

তিনি বলেন, 'আপাতত ঈদ উপলক্ষে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান রেশনিং প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামীকাল সকালেই এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।'.

তিনি আরও জানান, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সরবরাহ ও বিক্রি চলবে। মূলত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন নির্বিঘ্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।.

উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হলে গত ৬ মার্চ থেকে সারা দেশে তেলের রেশনিং শুরু করে সরকার। ওই সময় আতঙ্কিত হয়ে লোকজন প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কেনা শুরু করলে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।.

রেশনিংয়ের শুরুতে সরকারের জারি করা আদেশে বলা হয়েছিল— মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক ২ লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়া হবে। এ ছাড়া পিকআপ বা লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কন্টেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।.

পরবর্তীতে রেশনিং ব্যবস্থা কিছুটা শিথিল করা হয়। রাইডশেয়ারিং চালকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মোটরসাইকেলের জ্বালানির সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়।.

একই সাথে সামগ্রিক রেশনিং ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল। তবে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বিবেচনায় এখন সেই রেশনিং ব্যবস্থা পুরোপুরি তুলে নিল সরকার।.

.

Ajker Bogura / Md Shourov Hossain

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ