ইফতারের আয়োজনে পুষ্টিকর একটি সংযোজন হতে পারে চিয়া সিড। সহজলভ্য এই বীজটি বিভিন্নভাবে খাদ্যতালিকায় রাখা যায়। চিয়া বীজ দিয়ে পুডিং তৈরি করে খাওয়া যায়, আবার স্মুদি বা তাজা জুসের সঙ্গে মিশিয়েও এর পুষ্টিগুণ বাড়ানো সম্ভব। পানিতে ভিজিয়ে রেখে মধু ও লেবু মিশিয়ে তৈরি করা যায় স্বাস্থ্যকর শরবতও।.
.
সুপারফুড হিসেবে পরিচিত চিয়া সিড ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎকৃষ্ট উৎস। এই উপাদান মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং হৃদ্যন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাঙ্গানিজ—যা হাড় মজবুত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।.
.
চিয়া বীজ ফাইবারেরও দারুণ উৎস। মাত্র দুই থেকে তিন টেবিল চামচ চিয়া বীজে প্রায় ৯.৮ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার পাওয়া যায়। পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করলে করোনারি হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, প্রদাহ এবং কিছু ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমতে পারে। একই সঙ্গে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে এটি।.
.
এ ছাড়া চিয়া সিডে রয়েছে টোকোফেরল, ফাইটোস্টেরল, ক্যারোটিনয়েড ও পলিফেনলিক যৌগসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরকে ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দেয়। এতে থাকা নয়টি অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড ও প্রোটিন রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।.
.
চিয়া বীজ প্রচুর পানি শোষণ করে পেটে দীর্ঘক্ষণ তৃপ্তি বজায় রাখে, ফলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ কমে। নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে চিয়া সিড খেলে রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।.
.
তথ্যসূত্র: Harvard Health Publishing. .
Ajker Bogura / সামসিল আরিফিন
আপনার মতামত লিখুন: