• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

সাবেক অধিনায়কদের সম্মানে বিসিবির ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’—৩৩ জন পেলেন বিশেষ স্বীকৃতি


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০১:৩৩ এএম
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় যুক্ত করল (বিসিবি)। সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে প্রথমবারের মতো চালু করা হয়েছে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’—যার মাধ্যমে দেশের হয়ে নেতৃত্ব দেওয়া ক্রিকেটারদের দেওয়া হচ্ছে বিশেষ মর্যাদা ও সুবিধা।.

রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মোট ৩৩ জন সাবেক অধিনায়কের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২৭ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী অধিনায়ক রয়েছেন। দেশের হয়ে অন্তত একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে যারা অধিনায়কত্ব করেছেন—তাদের সবাইকে এই উদ্যোগের আওতায় আনা হয়েছে।.

এই ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের পেছনে রয়েছেন বর্তমান অ্যাডহক কমিটির নেতৃত্বে থাকা । তিনি ব্যক্তিগতভাবে অনেক সাবেক অধিনায়ককে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান। তালিকায় ছিলেন , সহ বর্তমান ও সাবেক তারকা ক্রিকেটাররা। যদিও বিভিন্ন কারণে কয়েকজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।.

‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ শুধু একটি সম্মাননাই নয়—এটি সাবেক অধিনায়কদের জন্য একটি বিশেষ সুবিধাপত্রও। এই কার্ডের মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে আইসিসি ও এসিসি টুর্নামেন্ট, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ কিংবা বিপিএলসহ যেকোনো ক্রিকেট ইভেন্টে সহজে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন। পাশাপাশি, কার্ডধারীরা অসুস্থ হলে বিসিবির মেডিক্যাল টিম থেকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা পাবেন—কোনো পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই।.

অনুষ্ঠানে বিসিবির পক্ষ থেকে অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্ড তুলে দেন। এতে সাবেক অধিনায়কদের মধ্যে তৈরি হয় আবেগঘন পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর এক মঞ্চে একত্রিত হয়ে তারা স্মৃতিচারণ করেন দেশের ক্রিকেটের নানা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।.

কার্ড প্রাপ্তির পর প্রবীণ অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা এই উদ্যোগকে ‘যুগান্তকারী’ বলে অভিহিত করেন। তার মতে, এই ধরনের সম্মাননা সাবেক অধিনায়কদের মর্যাদা বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে তাদের ভোগান্তি কমাবে এবং বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে।.

বাংলাদেশ ক্রিকেটের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন—তাদের অবদান দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অনস্বীকার্য। সেই অবদানকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে বিসিবির এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।.

সব মিলিয়ে, ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ শুধু একটি কার্ড নয়—এটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের নেতৃত্বদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, সম্মান এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থায়ী স্বীকৃতির প্রতীক।. .

Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ

খেলাধুলা বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ