সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।.
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে বগুড়া উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। ফলে জেলার ক্রীড়া অবকাঠামোও মারাত্মকভাবে পিছিয়ে পড়ে। এই অবস্থার পরিবর্তন আনতে সরকার বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে, যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলা আয়োজন করা সম্ভব হয়।.
তিনি আরও জানান, বগুড়ায় একটি আধুনিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার জন্য উন্নত সুযোগ-সুবিধা থাকবে। শুধু স্টেডিয়াম নয়, জেলার সব ধরনের অবহেলিত ক্রীড়া অবকাঠামো নতুনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী হয়।.
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করছে। খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়াভাতা চালু করা হয়েছে এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সুবিধাগুলো দেশের খেলোয়াড়দের আরও উৎসাহিত করবে।.
এছাড়া তিনি জানান, আগামী ২ মে সিলেটে দেশব্যাপী “নতুন কুঁড়ি” ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হবে, যেখানে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীরা আটটি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবে। ভবিষ্যতে এই প্রতিযোগিতায় আরও ইভেন্ট যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।.
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক স্তরে খেলাধুলাকে আরও গুরুত্ব দিতে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই নির্দিষ্ট কিছু খেলা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ও ডিভাইস নির্ভরতা কমিয়ে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।.
স্থানীয় ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বগুড়ায় নতুন করে ক্রীড়া জাগরণ সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে নতুন প্রতিভা উঠে আসবে।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: