• ঢাকা
  • শনিবার, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ১৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

ঝিনাইদহে তিন আসনে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, সংঘর্ষে আহত ৩০, ভাঙচুর ও উত্তেজনা


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষ হয়েছে ঝিনাইদহ-৪ আসনের কালীগঞ্জ উপজেলায়। এখানে স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী) প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলায় অন্তত ২৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ধানের শীষ প্রতীকের দুইজন সমর্থকও আহত হন। সংঘর্ষের সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের প্রধান নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। আহতদের কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ ও যশোরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা, জামাল, নিয়ামতপুর, নলডাঙ্গা ইউনিয়ন ও শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী আবু তালিব বিজয়ী হওয়ার পর থেকেই স্বতন্ত্র ও ধানের শীষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বেলা ১১টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের থানা রোডে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং তিনজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে সাবেক বহিষ্কৃত পৌর বিএনপি নেতা জবেদ আলী, ছাত্রদল নেতা ইভন, খোকন ও মোশারেফ শেখসহ একাধিক ব্যক্তি রয়েছেন। আহত মোশারেফ শেখ অভিযোগ করেন, ধানের শীষের সমর্থকেরা তাকে অন্যায়ভাবে হামলা করেছে।
এ ঘটনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ অভিযোগ করেন, ধানের শীষের সমর্থকেরা তার অফিস ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তবে ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাই হোসেন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
এদিকে ঝিনাইদহ-২ আসনের সদর এলাকায় দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে এবং এক জামায়াত কর্মী ধানের শীষের সমর্থকদের মারধরে আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ঝিনাইদহ-৩ আসনের মহেশপুর উপজেলা শহরে প্রেসক্লাবে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং এটিকে সাংবাদিকদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা বলে উল্লেখ করেন। মহেশপুর থানার ওসি জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।.

.

Ajker Bogura / Samsil Arifin

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ